সংক্ষিপ্ত স্কোর

দ্বিতীয় দিন শেষে

ইংল্যান্ড ৯৩.৫ ওভারে ২৮৩ (বেয়ারস্টো ৮৯, বাটলার ৪৩; শামি ৩/৬৩)

ভারত ৮৪ ওভারে ২৭১/৬ (কোহলি ৬২, অশ্বিন ৫৭*; রশিদ ৩/৮১ )


 

মোহালি টেস্টে এই মুহূর্তে কোন দল এগিয়ে? এখনো পাল্লাটা প্রায় সমান সমানই। প্রথম ইনিংসে ইংল্যান্ডের চেয়ে এখন মাত্র ১২ রান পিছিয়ে ভারত, হাতে উইকেট চারটি। এই পিচে চতুর্থ ইনিংসে ব্যাট করতে হবে ভারতকে। সেটি মাথায় রাখলে ইংল্যান্ডও খুব একটা পিছিয়ে নেই।

তবে শেষ বিকেলে অশ্বিন ও জাদেজা প্রতিরোধ গড়ে না তুললে আরও বড় হাসি নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেন অ্যালিস্টার কুক। ২০৪ রানে ৬ উইকেট পড়ার পর তো ভারতকে ভালোমতোই চেপে ধরেছিল ইংল্যান্ড। কিন্তু সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন অশ্বিন ও জাদেজা। সপ্তম উইকেটে দুজন যোগ করেছেন ৬৭ রান। এর মধ্যে অশ্বিনের এক বছরে ৫০০ রান ও ৫০ উইকেটের দারুণ একটা ডাবলও হয়ে গেছে। ভারতের হয়ে এই কীর্তি এর আগে ছিল মাত্র দুইজনের। ১৯৫২ সালে সেটি করেছিলেন ভিনু মানকড। কপিল দেব ১৯৭৯ ও ১৯৮৩ সালে সেই কীর্তি করেছিলেন দুই বার।

তবে তার আগে ইংল্যান্ডকে ম্যাচে ফিরিয়েছিলেন বোলাররা। মুরালি বিজয়ের সঙ্গে পার্থিব প্যাটেলের ওপেনিং জুটিটা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি, ৩৯ রানেই ফিরে গেছেন বিজয়। স্টোকসের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়েছিলেন। আম্পায়ারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা না করেই নিজেই হাঁটা শুরু করে দিয়েছিলেন।

কিন্তু পূজারা ও প্যাটেল মিলে ভারতকে শক্ত একটা ভিত গড়ে দিচ্ছিলেন। কিন্তু আট বছর পর দলে ফিরে আট রানের জন্য ফিফটি পাওয়া হয়নি প্যাটেলের। এরপর পূজারা ও কোহলি ভারতকে বড় একটা শুরু এনে দেবেন বলেই মনে হচ্ছিল। কিন্তু ৭৬ রানের জুটি গড়ার পর ওকসের দুর্দান্ত এক ক্যাচে ফিরে গেছেন পূজারা। এক ওভার পরেই রশিদের দ্বিতীয় শিকার হয়ে শুন্য রানে ফিরে গেছেন রাহানে। আর করুন নাইরকে ফেরানোর কৃতিত্বটা পুরোপুরিই বাটলারের। নিশ্চিত চার ঠেকানোর পর তার চেয়েও দুর্দান্ত এক থ্রোতে ফেরত পাঠিয়েছেন নাইরকে।

তবে কোহলি আরও একবার বড় ইনিংসের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু ৬২ রান করে স্টোকসের বলে ক্যাচ দিলেন উইকেটের পেছনে। এই কোহলির সঙ্গে কথাবিনিময়ের পরেই আগের দিন তিরস্কার পেতে হয়েছিল স্টোকসকে। মুখে আঙুল দিয়ে উদযাপন করে যেন প্রচ্ছন্ন একটা জবাবই দিলেন সমালোচকদের।

তার আগে সকালের সেশনে খুব বেশি প্রতিরোধ গড়তে পারেনি ইংল্যান্ড। আগের দিনের সঙ্গে ১৫ রান যোগ করেই হারিয়ে ফেলেছে শেষ দুই উইকেট।